অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে জেলা প্রশাসক ও সেনাবাহিনীর খাদ্য ও নগদ অর্থ বিতরণ


রাঙামাটি বরকল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সুভলং বাজারে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও দোকানদারদের মাঝে জেলা প্রশাসক ও সেনাবাহিনীর পক্ষথেকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন ) সকাল ১০টায় সুভলং বাজারে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের নির্দেশে এবং রাঙামাটি রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৭৪টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও দোকানদারদের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে জনপ্রতি ২ কেজি চাউল, ১টি কম্বল ও নগদ ২ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এবং সেনাবাহিনীর পক্ষথেকে ২০কেজি চাউলসহ ডাল, তেল, আটা, লবণ, আলু ও পেয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মোঃ রফিকুল ইসলাম (পিএসসি), রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর উত্তম কুমার দাশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মনজুরুল হক, সুভলং আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার রাজ্জাক, রাঙামাটি সদর জোনের জেডএসও মেজর নাজমুলসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রাণ বিতরণ শেষে বাজারে অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি দুঃখজনক জানিয়ে, জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ বলেন,  রাঙামাটি জেলা প্রশাসনসহ সকল প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি সকলে সম্মিলিতভাবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করার। ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্থদের বাড়িঘর ও দোকানপাট নির্মাণ করার জন্য টিনসহ সকল প্রকার সহযোগিতা করা হবে।

প্রসঙ্গত: রবিবার বিকালে রাঙামাটির বরকল উপজেলাধীন সুভলং বাজারে ফরেষ্ট অফিস পাশের দোকানের নিচের বাসা থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ফরেষ্ট অফিসসহ ৭৪টি দোকান ও বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে। আগুন লাগার সাথে সাথে বাজারের চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বাজারে আগুন লাগার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ সদস্যসহ স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্ঠা চালায়। বাজারে সবগুলো কাঁচা দোকান হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের ৩ টি টিম প্রায় দেড় ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এতে প্রায় ২ কোটি টাকার বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি, ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

0Shares