চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে চীনা যাত্রীদের স্ক্রিনিং অব্যহত


চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং (পরীক্ষা) করা হচ্ছে চীন থেকে আসা যাত্রীদের। চীনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নতুন ধরনের ‘করোনা’ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতেই এমন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।  চট্টগ্রাম থেকে চীনে সরাসরি ফ্লাইট না থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য, দুবাই, ভারত হয়ে কানেকটিং ফ্লাইটে চীন থেকে অনেকে আসেন চট্টগ্রামে। গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম গতকাল মঙ্গলবারও (২১ জানুয়ারি) অব্যহত রয়েছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সরওয়ার-ই-জামান বলেন, সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ চীন থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং করছে। কানেকটিং ফ্লাইটের কোনো যাত্রীর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ রয়েছে কিনা সেটির ওপর নজর রাখছেন চিকিৎসকেরা। চীন থেকে আসা যাত্রীদের বিষয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জানাতে ইমিগ্রেশনে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, সম্প্রতি চীনে রহস্যময় করোনা ভাইরাস আক্রমন করেছে যা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, চীন ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও থাইল্যান্ডে এই ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। এতে আক্রান্ত হয়ে চীনে এখন পর্যন্ত তিন জনের মত্যু হয়েছে। করোনা ভাইরাস পশু থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ানোর মতো, মানুষ থেকে মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে থাকে। বাংলাদেশে এই ভাইরাস যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে, তার জন্য এই প্রতিরোধমূলক (স্ক্রিনিং) ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সরওয়ার-ই-জামান বলেন, গত শুক্রবার থেকে চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে স্ক্রিনিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে সতর্কতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বিমানবন্দর এলাকায়। পালাক্রমে চিকিৎসক ও মেডিকেল টিম কাজ করছে। এখনো পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ আছে এমন যাত্রী পাওয়া যায়নি।

এদিকে করোনা ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশে ঝুঁকি থাকলেও বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই জানিয়ে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ইতোমেধ্যে এই ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি নিয়েছে দেশের সবকটি বিমানবন্দর।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

0Shares